BDclass

সর্বশেষ

national-university-honours-admission

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স ১ম বর্ষে ভর্তির আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ১ সেপ্টেম্বর থেকে। আবেদনের সময়সীমা ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এবং অনলাইনে পূরণকৃত আবেদন পত্র সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর।

যারা আবেদন করতে পারবেঃ

এসএসসি পাশের সন ২০১৫ বা ২০১৬ এবং নুন্যতম জিপিএ ২.০০ থাকতে হবে।
এইচএসসি পাশের সন ২০১৭ বা ২০১৮ এবং নুন্যতম জিপিএ ২.০০ থাকতে হবে।
যে বিষয়ে অনার্স পড়তে চান, সে বিষয় এইচএসসিতে কমপক্ষে ৩.০০ পয়েন্ট থাকতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখসমূহঃ

আবেদনপত্র পূরণের তারিখঃ ১ সেপ্টেম্বর
আবেদনপত্র পূরণের শেষ তারিখঃ ১৯ সেপ্টেম্বর
আবেদন পত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখঃ ২০ সেপ্টেম্বর

আবেদন পত্রের সাথে যা জমা দিতে হবেঃ


  1. এসএসসি ও এইচএসসির মার্কশীটের ফটোকপি
  2. এসএসসি ও এইচএসসির রেজিষ্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি
  3. ২ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি
এ বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জানতে, নিচের লিঙ্ক থেকে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ও ভর্তি গাইডলাইন ডাউনলোড করুন।

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ 

১৪ জুন ২০১৮ সালে শুরু হবে রাশিয়া বিশ্বকাপ ফুটবল।রাশিয়া বিশ্বকাপে মোট ৩২টি দল নির্ধারণ হয়েছিল পূর্বেই। ৩২টি দলকে ৮টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি গ্রুপে রয়েছে ৪টি করে দল। এখন শুধুই অপেক্ষা মাঠের লড়াই শুরুর জন্য। ১৪ জুন মস্কোর লুঝনিকি স্টেডিয়ামে পর্দা উঠবে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই ক্রীড়া প্রদর্শনী ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের। ইউরোপের এই দেশটির ১১ শহরের ১২টি স্টেডিয়ামে হবে। সৌদি আরবের বিপক্ষে স্বাগতিকদের ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে একুশতম বিশ্বকাপের। চলবে এক মাসব্যাপী। দেখে নেওয়া যাক বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী সূচিতে কার খেলা কখন:
বিশ্বকাপ-ফুটবল-২০১৮-সময়সূচি

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের গ্রুপগুলো হলো

গ্রুপ ‘এ’ : রাশিয়া, সৌদি আরব, মিশর, উরুগুয়ে
গ্রুপ ‘বি’ : পর্তুগাল, স্পেন, মরোক্কো, ইরান
গ্রুপ ‘সি’ : ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, পেরু, ডেনমার্ক
গ্রুপ ‘ডি’ : আর্জেন্টিনা, আইসল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া, নাইজেরিয়া
গ্রুপ ‘ই’ : ব্রাজিল, সুইজারল্যান্ড, কোস্টারিকা, সার্বিয়া
গ্রুপ ‘এফ’ : জার্মানি, মেক্সিকো, সুইডেন, কোরিয়া রিপাবলিক (দক্ষিণ কোরিয়া)
গ্রুপ ‘জি’ : বেলজিয়াম, পানামা, তিউনিশিয়া, ইংল্যান্ড
গ্রুপ ‘এইচ’ : পোল্যান্ড, সেনেগাল, কলম্বিয়া, জাপান

দেখে নিন বাংলাদেশ সময় বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ সালের ম্যাচগুলোর সময় সূচি: 

১৪ জুন (রাত ৯টা): রাশিয়া-সৌদি আরব
১৫ জুন (সন্ধ্যা ৬টা): মিশর-উরুগুয়ে
১৫ জুন (রাত ৯টা): মরক্কো-ইরান
১৫ জুন (রাত ১২টা): পর্তুগাল-স্পেন
১৬ জুন (বিকেল ৪টা): ফ্রান্স-অস্ট্রেলিয়া
১৬ জুন (সন্ধ্যা ৭টা): আর্জেন্টিনা-আইসল্যান্ড
১৬ জুন (রাত ১০টা): পেরু-ডেনমার্ক
১৬ জুন (রাত ১টা): ক্রোয়েশিয়া-নাইজেরিয়া
১৭ জুন (সন্ধ্যা ৬টা): কোস্টারিকা-সার্বিয়া
১৭ জুন (রাত ৯টা): জার্মানি-মেক্সিকো
১৭ জুন (রাত ১২টা): ব্রাজিল-সুইজারল্যান্ড
১৮ জুন (সন্ধ্যা ৬টা): সুইডেন-দক্ষিণ কোরিয়া
১৮ জুন (রাত ৯টা): বেলজিয়াম-পানামা
১৮ জুন (রাত ১২টা): তিউনিসিয়া-ইংল্যান্ড
১৯ জুন (সন্ধ্যা ৬টা): পোল্যান্ড-সেনেগাল
১৯ জুন (রাত ৯টা): কলম্বিয়া-জাপান
১৯ জুন (রাত ১২টা): রাশিয়া-মিশর
২০ জুন (সন্ধ্যা ৬টা): পর্তুগাল-মরক্কো
২০ জুন (রাত ৯টা): উরুগুয়ে-সৌদি আরব
২০ জুন (রাত ১২টা): ইরান-স্পেন
২১ জুন (সন্ধ্যা ৬টা): ফ্রান্স-পেরু
২১ জুন (রাত ৯টা): ডেনমার্ক-অস্ট্রেলিয়া
২১ জুন (রাত ১২টা): আর্জেন্টিনা-ক্রোয়েশিয়া
২২ জুন (সন্ধ্যা ৬টা): ব্রাজিল-কোস্টারিকা
২২ জুন (রাত ৯টা): নাইজেরিয়া-আইসল্যান্ড
২২ জুন (রাত ১২টা): সার্বিয়া-সুইজারল্যান্ড
২৩ জুন (সন্ধ্যা ৬টা): বেলজিয়াম-তিউনিসিয়া
২৩ জুন (রাত ৯টা): জার্মানি-সুইডেন
২৩ জুন (রাত ১২টা): দক্ষিণ কোরিয়া-মেক্সিকো
২৪ জুন (সন্ধ্যা ৬টা): ইংল্যান্ড-পানামা
২৪ জুন (রাত ৯টা): জাপান-সেনেগাল
২৪ জুন (রাত ১২টা): পোল্যান্ড-কলম্বিয়া
২৫ জুন (রাত ৮টা): উরুগুয়ে-রাশিয়া
২৫ জুন (রাত ৮টা): সৌদি আরব- মিশর
২৫ জুন (রাত ১২টা): স্পেন-মরক্কো
২৫ জুন (রাত ১২টা): ইরান-পর্তুগাল
২৬ জুন (রাত ৮টা): ডেনমার্ক-ফ্রান্স
২৬ জুন (রাত ৮টা): অস্ট্রেলিয়া-পেরু
২৬ জুন (রাত ১২টা): নাইজেরিয়া-আর্জেন্টিনা
২৬ জুন (রাত ১২টা): আইসল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া
২৭ জুন (রাত ৮টা): দক্ষিণ কোরিয়া-জার্মানি 
২৭ জুন (রাত ৮টা): মেক্সিকো-সুইডেন
২৭ জুন (রাত ১২টা): সার্বিয়া-ব্রাজিল
২৭ জুন (রাত ১২টা): সুইজারল্যান্ড-কোস্টারিকা
২৮ জুন (রাত ৮টা): জাপান-পোল্যান্ড
২৮ জুন (রাত ৮টা): সেনেগাল-কলম্বিয়া
২৮ জুন (রাত ১২টা): ইংল্যান্ড-বেলজিয়াম
২৮ জুন (রাত ১২টা): পানামা-তিউনিসিয়া

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ শেষ ১৬

৩০ জুন (রাত ৮টা): সি ১ – ডি ২ (ম্যাচ ৫০)
৩০ জুন (রাত ১২টা): এ ১ – বি ২ (ম্যাচ ৪৯)
১ জুলাই (রাত ৮টা): বি ১ – এ ২ (ম্যাচ ৫১)
১ জুলাই (রাত ১২টা): ডি ১ – সি ২ (ম্যাচ ৫২)
২ জুলাই (রাত ৮টা): ই ১ – এফ ২ (ম্যাচ ৫৩)
২ জুলাই (রাত ১২টা): জি ১ – এইচ ২ (ম্যাচ ৫৪)
৩ জুলাই (রাত ৮টা): এফ ১ – ই ২ (ম্যাচ ৫৫)
৩ জুলাই (রাত ১২টা): এইচ ১ – জি ২ (ম্যাচ ৫৬)

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ কোয়ার্টার ফাইনাল

৬ জুলাই (রাত ৮টা): ম্যাচ ৪৯ এর জয়ী – ম্যাচ ৫০ এর জয়ী (ম্যাচ ৫৭)
৬ জুলাই (রাত ১২টা): ম্যাচ ৫৩ এর জয়ী – ম্যাচ ৫৪ এর জয়ী (ম্যাচ ৫৮)
৭ জুলাই (রাত ৮টা): ম্যাচ ৫৫ এর জয়ী – ম্যাচ ৫৬ এর জয়ী (ম্যাচ ৬০)
৭ জুলাই (রাত ১২টা): ম্যাচ ৫১ এর জয়ী – ম্যাচ ৫২ এর জয়ী (ম্যাচ ৫৯)

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ সেমি ফাইনাল:

১০ জুলাই (রাত ১২টা): ম্যাচ ৫৭ এর জয়ী – ম্যাচ ৫৮ এর জয়ী (ম্যাচ ৬১)
১১ জুলাই (রাত ১২টা): ম্যাচ ৫৯ এর জয়ী – ম্যাচ ৬০ এর জয়ী (ম্যাচ ৬২)

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ তৃতীয় স্থান নির্ধারণী:

১৪ জুলাই (রাত ৮টা): ম্যাচ ৬১ এর পরাজিত – ম্যাচ ৬২ এর পরাজিত

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৮ ফাইনাল :

১৫ জুলাই (রাত ৯টা)

বর্তনি

এখানে ব্যাটারি থেকে বিদ্যুৎ(I) প্রবাহিত হয়ে রোধ (R) এর মধ্য দিয়ে চলতে চলতে আবার ব্যাটারিতে ফেরত আসবে।এইযে বিদ্যুৎ প্রবাহের একটা সার্কেল এটাই হলো বর্তনি।

একটি বৈদ্যুতিক বর্তনি বা ইলেকট্রনিক সার্কিটের উপাদানগুলি বিভিন্নভাবে সংযুক্ত করা যায়। এই সংযুক্ত করার সবচেয়ে সহজ দুটি উপায় হচ্ছে সিরিজ বা শ্রেণি বর্তনী এবং অপরটি সমান্তরাল বর্তনী।

বর্তনি-কি

শ্রেণি বর্তনি

যখন কোন বর্তনিতে তার উপাদান গুলো একই পথে যুক্ত থাকে অর্থাৎ একটির শেষ প্রান্তের সাথে অপরটির প্রথম প্রান্ত যুক্ত থাকে তখন তাকে শ্রেণি বর্তনী বলে এবং এক্ষেত্রে বর্তনীর সকল উপাদানের মধ্যে দিয়ে একই বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।

শ্রেণি বর্তনি
এই সার্কিটির দিকে আমরা লক্ষ করি। এখানে রোধ দেখা যাচ্ছে তিনটা। এখানে আমার তড়িৎ প্রবাহ কিন্তু কোথাও ভাগ হচ্ছে না। অর্থাৎ এখানে বর্তনিটির উপাদান গুলো সিরিজে যুক্ত থাকে।
যেমন ধর (R1)এ একটি লাইট লাগালাম (R2)তে একটি ফ্যান লাগালাম (R3)তে আবার একটি লাইট লাগালাম । এভাবে সবগুলো এক লাইনে থাকার কারণে তড়িৎ প্রবাহ কোথাও ভাগ হচ্ছে না।

সমান্তরাল বর্তনি

অপরদিকে যখন কোন বর্তনীতে সবগুলো রোধের প্রথম প্রান্ত একটিমাত্র সাধারণ বিন্দুতে এবং অপরপ্রান্ত অপর একটিমাত্র সাধারণ বিন্দুতে যুক্ত থাকে তখন সে বর্তনীকে বলা হয় সমান্তরাল বর্তনী।এখন দেখা যাক সমান্তরাল বর্তনি কেমন হবে।
সমান্তরাল-বর্তনি

 এই সার্কিটটির দিকে লক্ষ করি। এখানেও দেখা যাচ্ছে তিনটা রোধ আছে। বর্তনিতে বিদ্যুৎ(I) প্রবাহিত হয়ে একটা নির্দিষ্ট অংশে এসে তড়িৎ প্রবাহটা (I1)(I2)(I3)তিনটা অংশে ভাগ হয়ে যাচ্ছে। এবার অন্য অংশে এসে (I1)(I2)(I3) এ তিনটি অংশ মিলিত হয়ে (I) হয়ে ফেরত আসলো।
সুতরাং শ্রেনি বর্তনি এবং সমান্তরাল বর্তনি চেনার একটি সহজ পদ্ধতি এটাই যে যদি বর্তনিতে তড়িৎ ভাগ না হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে সেটা শ্রেনি বর্তনি আর বর্তনিতে তড়িৎ যদি ভাগ হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে সেটা সমান্তরাল বর্তনি।

শ্রেণি বর্তনীর সুবিধা:

শ্রেণি-বর্তনি
শ্রেণি বর্তনি

শ্রেণি বর্তনিতে একটাই সুইচ দিতে পারবে। এ একটা সুইচ অফ করলে সব অফ হয়ে যাবে। আবার চালু করলে আবার সব চালু হয়ে যাবে। তার মানে এটাকে একটা দিয়েই নিয়ন্ত্রন করা যায়।

সমান্তরাল বর্তনী সুবিধা:

সমান্তরাল-বর্তনি
সমান্তরাল বর্তনি
ধর এখানে প্রথমে একটা লাইট দিলাম তারপর একটা ফ্যান দিলাম তারপর আবার একটা লাইট দিলাম। শুধুমাত্র তিনটার সাথে তিনটা সুইচ বসিয়ে আলাদা আলাদা ভাবে নিয়ন্ত্রন করা যাবে।

*পরিক্ষায় আসতে পারে:

অনেক সময় তোমাদের পরিক্ষায় প্রশ্ন আসে যে আমরা আমাদের বাসা বাড়িতে কোন বর্তনি ব্যবহার করতে পারি? আমরা সমান্তরাল বর্তনি ব্যবহার করবো নাকি শ্রেনি বর্তনি ব্যবহার করবো? এক্ষেত্রে আমাদের উত্তর হবে আমরা সমান্তরাল বর্তনি ব্যবহার করবো। কারন ধরো তুমি যে ঘরে থাকো সে ঘরে একটা সুইচ বেড রুমে আছে, একটা সুইচ বাথরুমে আছে, একটা সুইচ ডাইনিং এ আছে। এভাবে আলাদা আলাদা ভাবে যেখানে যেভাবে প্রয়োজন আমি সেখানে সেভাবে সেট করেছি। এখন আমি বেড রুমে আছি অন্য লাইট গুলো বন্ধ করতে চাই। বা আমার রুমে লাইট জ্বলছে আমি চাচ্ছি ফেনটা অফ করে দিতে। আবার চাচ্ছি লাইট টা বন্ধ থাক শুধূ ফ্যান টা চলুক। এতে ইচ্ছা মত আমি সুবিধা পাবো সমান্তরাল বর্তনিতে।
এজন্যই শ্রেণি অপেক্ষা সমান্তরাল বর্তনি বাসা বাড়িতে বেশি উপকার।

বর্তনিতে রোধের ব্যবহার:

এখন এইযে বর্তনিতে (R1) (R2) (R3)রোধ গুলো দেখা যাচ্ছে এই রোধ গুলোর কাজ কি? এগুলো কেন ব্যবহার হয়?
কারন আমরা যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করি তাতো আসে মেন লাইন থেকে। এ মেন লাইনের বিদ্যুতে অনেক ভোল্টের বিদ্যুৎ থাকে। এখন আমাদের যে লাইন আছে যে সুইচ আছে সেগুলোর এতো পরিমান বিদ্যুৎ সহ্য করার ক্ষমতা রাখেনা। এখন এতো পরিমান বিদ্যুৎকে বাধা প্রাপ্ত করার জন্যই রোধ ব্যবহার হয়। যাতে আমাদের প্রয়োজনিয় বিদ্যুতটা আমরা পাই। যদি রোধ না থাকে তো দেখা যাবে অতিরিক্ত বিদ্যুতের কারণে সার্কিট পুরে যাবে।

শ্রেণি ও সমান্তরাল এক সাথে:

একটি বর্তনিতে শ্রেণি ও সমান্তরাল উভয়টি পাওয়া যেতে পারে। নিচের চিত্রটি লক্ষ কর-

শ্রেণি-ও-সমান্তরাল-বর্তনি
শ্রেণি বর্তনি ও সমান্তরাল বর্তনি এক সাথে

এখানে সার্কিটটিতে বিদ্যুৎ প্রবাহ (I) (R1) এবং (R2)পর্যন্ত প্রবাহিত হয় কোনো রকম ভাগ হওয়া ছাড়াই। তারপর দেখা যাচ্ছে বিদ্যুৎ প্রবাহ (I) ভাগ হয়ে (I1)(I2) হয়ে (R3) এবং (R4) এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। এরপর (I1)(I2) এ দুটি অংশ মিলিত হয়ে (I) হয়ে ফেরত আসলো।
সুতরাং আমরা বলতে পারি যেহেতু (R1) এবং (R2) তে কোনো রকম বিদ্যুৎ ভাগ হচ্ছে না তাই বলা যায় এটি শ্রেণি বর্তনি আর (R3) এবং (R4) অংশে যেহেতু বিদ্যুৎ ভাগ হচ্ছে তাই এটি সমান্তরাল বর্তনি।

তুল্যরোধ:


তুল্যরোধ বলতে যা বোঝায় তা হলঃ একটি বর্তনীতে যতগুলো রোধক আছে, ততগুলো রোধকের পরিবর্তে একটা রোধক ব্যবহার করতে হবে কিন্তু বিভব পার্থক্যের কোন পরিবর্তন ঘটানো যাবে না এবং ওই রোধকগুলো তড়িৎ প্রবাহকে যতটুকু বাধা প্রদান করত; তার পরিবর্তে একটি রোধক ব্যবহার করলে ঠিক সেই পরিমাণ বাধা দান করবে; তাহলেই নতুন একমাত্র রোধকটি হবে ওইসব রোধক গুলোর তুল্যরোধ।

রোধ

এই বর্তনিটিতে ৩টি রোধ আছে। এখন আমার ইচ্ছা আমি ৩টি রোধ ব্যবহার এর পরিবর্তে শুধু একটি রোধ ব্যবহার করবো। এমন একটি রোধ ব্যবহার করবো যেটা একাই তিনটার কাজ করবে। তাহলে বিভিন্ন পরিমান রোধের পরিবর্তে আমরা যদি একটা রোধ দিয়ে সেই রোধ গুলোর কাজ করতে পারি তাকে বলা হয় তুল্যরোধ।

শ্রেণি বর্তনির তুল্যরোধ:

Rs=R1+R2+R3......+Rn এখানে n সংখ্যাক রোধ শুধু যোগ করে দিলেই হবে।

বর্তনি

যেমন ধরো এই শ্রেণি বর্তনিতে তিনটা রোধ। সুতরাং
Rs=R1+R2+R3
বা Rs=5+5+10
বা Rs=20 Ω
এখন আমার ইচ্ছা এই তিনটি রোধের পরিবর্তে একটি রোধ ব্যবহার করবো। এবং সেটার মান কত হবে?
20 মানের রোধ।


তাহলে আমার এই বর্তনি একই রকম কাজ করবে। এটাকেই বলা হয় তুল্যরোধ। এই ছিলো শ্রেণি বর্তনির ক্ষেত্রে।
সমান্তরাল বর্তনির তুল্যরোধ: সূত্র 1/Rp=1/R1+1/R2+1/R3......+1/Rn এখন এখানে আমাদের দরকার Rp এর মান। 1/Rp এর মান নয়।

বর্তনি

ধরো এই সমান্তরাল বর্তনিতে দুইটা রোধ আছে। সুতরাং
1/Rp=1/R1+1/R2
বা 1/Rp=1/5+1/10
বা 1/Rp=(2+1)/10
বা 1/Rp=3/10
এখন এখানে আমাদের দরকার Rp এর মান। 1/Rp এর মান নয়। সুতরাং 1/Rp এর মান উল্টে দেই। তাহলে কি হয়? Rp=10/3
 Rp=3.33
1/Rp সূত্রে থাকলেও এটা কিন্তু আমাদের রোধ না। আমাদের রোধ হলো Rp
বর্তনি
সুতরাং আমরা দুইটা রোধের পরিবর্তে একটা 3.33 রোধ ব্যবহার করবো। তাহলে আমার এই বর্তনি একই রকম কাজ করবো।

এটাই হচ্ছে এ অধ্যায়ের বেসিক ধারনা। নিয়মিত এমন কোর্স পেতে এখনি নিচের বক্সে ইমেইল এড্রেস লিখে, সাইন আপ করুন।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget